
রাজউকের এস্টেট ভ‚মি ২-এর এডি আব্দুস সাত্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়
- আপলোড সময় : ৩১-০৮-২০২৫ ০৫:৩৬:০৯ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ৩১-০৮-২০২৫ ০৫:৩৬:০৯ অপরাহ্ন


গত ২৬ আগস্ট ‘রাজউকের এস্টেট (২-ভ‚মি) এ্যাড আব্দুস সাত্তারের সম্পদের পাহাড়’ শীর্ষক একটি সংবাদ প্রকাশের পর ব্যাপক আলোড়না সৃষ্টি হয়। খোদ রাজউক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তারের বিরোদ্ধে আরো চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন রাজউকের কতিপয় কর্মচারী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রাজউকের এক কর্মকর্তা জানান, এডি আব্দুস সাত্তার সার্ভেয়ার থাকাকালীন সময়ে অবৈধভাবে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। আর সেই অবৈধ টাকা দিয়ে খোদ রাজধানীর খিলগাঁও এলাকার ৪ ইউনিটের ৭ তলা বাড়ি করেছেন। এই বাড়িতে তিনি সপরিবার নিয়ে বসবাস করেন। আব্দুস সাত্তার তার স্ত্রীর নামে এই বাড়ি ক্রয় করেছেন। এছাড়াও বনশ্রী পূর্বাচল এলাকায় ৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। প্রত্যেকটি ফ্ল্যাটের দাম কোটি টাকার ওপরে। এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা রাজউকের মেম্বার এডমিন মোস্তফা আলম নাম ব্যবহার করে ফাইল আটকিয়ে অবৈধভাবে টাকা হাতিয়ে নেয়। সূত্র জানায়, রাজউকের মেম্বার এডমিন মোস্তফা আলম তার সব অবৈধ কাজে সহায়তা করেন। এদিকে দুদকের এক কর্মকর্তা জানান, আব্দুস সাত্তার তার নিজের নামে সম্পদ না করে বেশির ভাগ সম্পদ করেছেন স্ত্রী-সন্তানদের নামে। তবে খিলগাঁও এলাকায় তার স্ত্রীর নামে একটি বিলাশবহুল বাড়ি রয়েছে। দুদকে একাধিকবার তাকে ডাকা হয়েছে। চলতি মাসে আব্দুস সাত্তার দুদকে এসে কিছু কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। সে সব কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। এদিকে গত ২৬ আগস্ট দৈনিক জনতার আব্দুস সাত্তারের সংবাদ প্রকাশের পর তিনি নানাভাবে এ প্রতিবেদককে হুমকি দিয়ে আসছেন। আব্দুস সাত্তারের কাছে আবারও প্রতিবেদক ফোন দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। অপর একটি সূত্র জানান, এমন কোনো অপকর্ম নাই যা তিনি করেননি। সার্ভেয়ার থাকাকালীন সময়ে শাহজাহানপুর এলাকার গ্রাহকদের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার পর কিছু দিন ঘুষ বাণিজ্য থেকে বিরত ছিলেন। কিন্তু এখন এডি হওয়ার পর তার ঘুষ বাণিজ্য আরো বেড়ে গেছে। রাজউকের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিসে এত বড় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা এখনও বহালতবিয়তে রয়েছেন। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ‘জয় বাংলা জয় বন্ধু’ সেøাগান দেয়া আব্দুস সাত্তার এখন বিএনপির বড় নেতা। তার বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষ এখন কোনো ব্যবস্থা না নিলে রাজউকের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা আরো দুর্নীতি করার সাহস পাবেন। এ ব্যাপারে মেম্বার এডমিন মোস্তফা আলমের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। রাজউকের এস্টেট (২-ভ‚মি) এ্যাড আব্দুস সাত্তারের মোবাইলে ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তার সাথে দেখা করে বক্তব্য আনতে গেলে তিনি সাক্ষাৎ করেননি।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ